বিশেষ প্রতিনিধি : গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং ঢাকা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য সাংবাদিক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, তাঁর সহধর্মিণী হালিমা বেগম এবং ছোট ভাই আশরাফুল ইসলাম-এর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা প্রেসক্লাব।
এক যৌথ বিবৃতিতে ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জানান, হামলায় আহত সাংবাদিক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগম এবং ছোট ভাই আশরাফুল ইসলাম বর্তমানে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁরা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে শনাক্ত করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বিবৃতিদাতারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চর্চা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। তাই এ ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।
এই যৌথ বিবৃতিতে সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন ঢাকা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোঃ তৈয়বুর রহমান (সহ-সভাপতি, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ ও চেয়ারম্যান, হৃদয় গ্রুপ), ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হোসেন ভূঁইয়া (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব), বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান (আইন বিভাগ), বহুভাষাবিদ প্রফেসর মোঃ মাসুদ এ খান (চেয়ারম্যান, বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন), শেখ আয়ুব আলী (ডেপুটি রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), কাজী হায়াৎ (সভাপতি, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি), মোঃ মনোয়ার হোসেন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বাংলার ডাক), জাতীয় ফুটবলার মোঃ কাউসার হামীদ, অধ্যাপক ডা. হরিদাশ বিশ্বাস (সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ফরেনসিক মেডিসিন, ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়), শফিকুল ইসলাম রাহী (কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, কোকো স্মৃতি সংসদ ও সিনিয়র সহ-সভাপতি, ঢাকা প্রেস ক্লাব সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি), খান সেলিম রহমান, মোঃ জসিমউদ্দিন, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ মিয়াজী সেলিম আহম্মেদ, মোঃ ওমর জালাল, মোঃ শাহীন আল মামুন, এস এম হানিফ মিয়া, এম এইচ মোতালেব খান, এ মান্নান, মুন্সী জামিল উদ্দীন বাবু, টিকে আজাদ, মোঃ জসিমউদ্দীন কিশোর, এম আই ফারুক আহম্মেদ, মোঃ ফজলুল হক, মোঃ আবু হাসান, তাজুল ইসলাম তালুকদার হিরু, এস এম দুলাল, মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ রিপন তরফদার, মোঃ আব্দুল আজিজ, মোঃ দেলোয়ার হোসেন (চেয়ারম্যান, সাংবাদিক সুরক্ষা ফাউন্ডেশন), মোঃ রফিকুল ইসলাম (কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ ও পরিচালক, ফ্ল্যাশ টিভি বাংলা), মোঃ শিহাব উদ্দিন, মোঃ কামাল কবির, এ কিউ বুলবুল, নুরুন নাহার সীমা, মোঃ শাহাদাৎ হোসেন শাহীন, মোঃ কামরুল ইসলাম কামাল, মোঃ মাসুদ, মোঃ জাহিদুর রহমান, মোঃ হাবিবুল্লাহ হাবীব, মোঃ ইমন আলামিন, মোঃ মিজানুর রহমান দুলাল, এনামুল কবির লিটন, অ্যাড. মাসুদ করিম, মোঃ হাসান হাবীব তালুকদার, কাজী কামরুল ইসলাম কামাল, মোঃ শাহআলম খান, মোঃ ময়নুল ইসলাম, মোঃ জসিমউদ্দীন কনক, মোঃ মামুনুর রশীদ নোমানী, মোঃ মনিরুজ্জামান, মেজবাউল আলম মোহন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, মোঃ আলমগীর হোসেন, সৈয়দ নাজমুল ইসলাম, মোঃ শাহাজাদা শামস ইবনে শফিক, মোঃ মেহেদী হাসান সবুজ, মোঃ ওবাইদুল ইসলাম, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ আনিস, মোঃ ইনুচ আলী, মোঃ ইমদাদুল হক মিলন, আলহাজ্ব মোঃ সোহাগ, আবুল হোসেন বিল্লাল, মোঃ নাসিরউদ্দিন, এম মনির হোসেন, মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, মোঃ ফরিদ চিশতী, মোঃ শামিম আহম্মেদ, মোঃ শিমুল খান, এমডি আনিসুর জামান খোকন, কেএম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী, মোঃ নুরউদ্দীন পাটোয়ারী, মোঃ লায়ন হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোঃ শাহাদাত মোল্লা, মোঃ জাকির আহম্মেদ জীবন, মোঃ মাসুদুর রহমান, হাজেরাতুন নেছা, শাহানাজ আলম রুমানা, মোঃ খেলাফাত হোসেন খসরু, মোঃ আজাদ হোসেন বাচ্চু, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ আবুল কালাম, মোঃ আব্দুল মতিন (৭১ টিভি বাংলা), মোঃ সামসুল আলম খোকন (দৈনিক সমকাল), বি এম রাকিব হাসান (এশিয়ান টেলিভিশন), মোঃ মুখল খসরু (দৈনিক ভোরের ডাক), মোঃ মাহিদুল ইসলাম শাহীন (দৈনিক আমার সংবাদ), মোঃ আলমগীর হোসেন নিরব (বাংলা টিভি), মোঃ সানা উল্লাহ ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ রিপোন মিয়া, বাবু মিয়া, মোঃ রাজিবুল হাসান নাজমুল, মোঃ আক্তারুজ্জামান হারুন, মোঃ কুতুবউদ্দীন, মোঃ ইয়াসিন মোল্লা, আবুল কালাম আজাদ, মোঃ মনির হোসেন বিশ্বাস, মোঃ হেকমত আলীসহ
ঢাকা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং দেশের অসংখ্য বিশিষ্ট ব্যক্তি।
বিবৃতিদাতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

