পঞ্চগড় জলার সার্বিক উন্নয়নে কিংবদন্তি এক নিবেদিত সরকারি কর্মচারী পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক জনাব সাবেদ আলী। দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৪ বছরে পঞ্চগড় জেলা ছিল, দেশের সর্ব উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশে এক অবহেলিত জনপদ। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পর পঞ্চগড় জেলায় যোগদান করেন। জেলা প্রশাসক জনাব সাবেদ আলী। এই দূর্লভ ব্যাক্তি জেলায় যোগ দানের পর নিজের প্রশাসনিক কাজের শত ব্যাস্ততার পরও, মনোনিবেশ করেন জেলার আপামর জনগনের জন্য এক উন্নয়ন পরিকল্পনা। এগুলোর মধ্যে। পঞ্চগড় জেলা মানুষের বিনোদন মুলক কোন ব্যবস্থা না থকায়, তনি পঞ্চগড় জেলার অনতি দুরে গড়ে তুলেন ইকো পার্ক। যা বর্তমানে শুধু জেলার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে না,টানছে পর্যটকদের। এর পর পঞ্চগড় তেতুলিয়া উপজেলায় নির্মিত করছেন একটি বিশাল আকারের টাওয়ার। যার সুবাদে পর্যটক ও জেলা বাসী সহজেই দেখতে খালি চোখে দেখতে পারবে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও ভারতের দৃশ্য। এছাড়াও জেলার বিধবা ভাতা,বয়স্ক ভাতা, অন্যান্য ভাতা নিজে মনিটরিং করেন সার্বক্ষণিক। জেলার প্রতিটি সরকারি অফিসকে দূর্নীতিমুক্ত করনে নিয়েছেন বিশেষ মনিটরিং সেল। এ মানুষটি পঞ্চগড় জেলায় জন্মগ্রহণ করেনি। অথচ পঞ্চগড় জেলার মানুষের জন্য কি নিবেদিত প্রান? তার অফিস সাধারন জনগন এমনকি সকলের জন্য সদা উম্মুক্ত। জেলা প্রশাসনে সেবা গ্রহীতাদের জন্য এ যেন এক দাতব্য চিকিৎসালয়। এই ব্যক্তি জেলায় জেলা প্রশাসক নিয়োজিত হবার পর, কোন সাংবাদিক ও সুধী মহলের কাছে নেই কোন অভিযোগ। পঞ্চগড় জেলাবাসী তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এমনি যদি দেশের প্রতিটি জেলায় একজন করে জেলাপ্রশাসক থাকত, তাহলে এই হতভাগা দেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারত না। সর্বশেষ খবর তথ্য মোতাবেক জানাযায় পঞ্চগড় জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ সাবেত আলী সম্প্রতি প্রমোশন পেয়ে যুগ্ম সচিব হয়েছেন। তিনি যে কোন সময়, পঞ্চগড় জেলার মানুষদের ছেড়ে চলে যাবেন। এ হতাশায় জেলা মানুষ তাকে দোয়া ছাড়া কিছুই দিতে পারবে না।

