বরিশাল প্রতিনিধি:মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ফয়সাল আহমেদ।
তিনি অভিযোগ করে জানান, গত ১ মে দৈনিক “আমাদের বরিশাল” পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে ২৯ নং ওয়ার্ডের মৃত নুরুল আলমের কন্যা শাহারাজাহান (শিম্মী) তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন।
ফয়সাল আহমেদের দাবি, ১৬ জুলাই ২০২৩ তারিখে দায়েরকৃত এমপি ভুক্ত মামলা এবং ৩০ জুলাই ২০২৩ তারিখের দেওয়ানী মোকদ্দমা নং-৪০৪/২০২৩ চলমান থাকা অবস্থায় এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শাহারাজাহান (শিম্মী) ওয়ারিশ বণ্টন সম্পন্ন না করেই জমি বিক্রি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, “ভুলবশত নয়, বরং জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের নামে অতিরিক্ত জমি রেকর্ড করা হয়েছিল। এমনকি আমার ঘর থেকে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে জমি বিক্রি করা হয়েছে।”
ফয়সাল আহমেদ অভিযোগ করেন, ওয়ারিশ বণ্টন মামলা দায়েরের পর থেকেই শাহারাজাহান (শিম্মী) বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া দারসুল কোরআন মাদ্রাসার পরিচালক মুবিনুল ইসলামের বিরুদ্ধেও শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে বরিশালের অনেক সাংবাদিক অবগত আছেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “আমাকে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মূলত ওয়ারিশদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যেই এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।”
ফয়সাল আহমেদ আরও জানান, চলমান বণ্টন মামলা সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তির একটি সাইনবোর্ড জমিতে স্থাপন করা হয়েছিল। গত ৩ মে ২০২৬ তারিখে শাহারাজাহান (শিম্মী) তার ভগ্নিপতি সোহেল মাহমুদকে দিয়ে সেটি সরিয়ে অন্যত্র ফেলে দেন। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও ছবি তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমি বিজ্ঞ আদালতকে সম্মান করি। আদালত যে রায় দেবেন, আমি তা মেনে নেব। তবে মাননীয় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের কাছে আমার অনুরোধ, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মিথ্যাচারকারীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”

