সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সর্বপ্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির : রাশেদ বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতালি বিমানবন্দরে আটকা ঢাকাগামী বিমান, ভেতরে আড়াই শতাধিক যাত্রী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম, নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একশতম জন্ম শতবার্ষিকী পালিত হলো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে।
/ ৩৬৭ টাইম ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ২:৪৫ পূর্বাহ্ন

শনিবার দুপুর দুটোয়, কিশোর বাহিনীর পরিচালনায়, এবং পীযুষ ধর এর উদ্যোগে, শিয়ালদা স্টেশন থেকে কলেজ স্ট্রিট কিশলয় পর্যন্ত, এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে, সুকান্ত ভট্টাচার্যের ১০০তম জন্ম শতবার্ষিকী পালন করলেন,
এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, উদ্যোক্তা পীযূষ ধর, আব্দুল রুফ, বর্ণনা মুখোপাধ্যায়, মাইতি সহ অন্যান্যরা,
বিভিন্ন জেলা থেকে, কয়েকশো কিশোরবাহিনী সদস্যরা উপস্থিত হন শিয়ালদা স্টেশনে, এবং ছোট ছোট শিশুরাও উপস্থিত হয়েছেন কবিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর জন্য এবং পায়ে পা মিলিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাকে আলোকিত করার জন্য। এই শোভাযাত্রা দেখার জন্য, সাধারণ মানুষ রাস্তার ধারে অপেক্ষা করতে থাকেন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায়, উপস্থিত হন নৃত্যশিল্পী থেকে শুরু করে ম্যাজিশিয়ানরা ও লাঠি আলরা। সুন্দর নৃত্য, ম্যাজিক ও লাঠি খেলার মধ্যে দিয়ে বন্যার শোভাযাত্রা আস্তে আস্তে কলেজ স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে যায়।
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কলেজ স্ট্রিটে পৌঁছানোর পর, সেখানে একটি চিত্রাংকনের আয়োজন করা হয়, এছাড়াও নৃত্য সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলে বিকেল চারটে পর্যন্ত।
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৩৩ সালে ৩১শে শ্রাবণ।, কালীঘাট অঞ্চলের ৪২ নম্বর মহিম হালদার স্ট্রিটের বাড়ির দোতলায়, একটি ছোট্ট ঘরে নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্যের দ্বিতীয় স্ত্রী সুনীতির দ্বিতীয় পুত্র সুকান্ত কে নিয়ে বসবাস। পূর্বপুরুষ ছিল পূর্বাঙ্গের, প্রথমে তাদের বসবাস ছিল ফরিদপুরের কোটালীপাড়ায়, তাহার পর কয়েক পুরুষ এসে বাস করে মাদারিপুরে,
কবি সুকান্তের বাবা ও জ্যাঠামশাই বিখ্যাত পন্ডিত কৃষ্ণচন্দ্র স্মৃতি তীর্থের শৈশব কাল কেটেছে অত্যন্ত দরিদ্রদের মধ্যে। এর কারণ হলো সুকান্তের পিতামহ জগচন্দ্রের অকাল মৃত্যু।
এই দুরবস্থার মধ্য দিয়েই পিতামহি তার অসাধারণ মনো বলে সাহায্যে মানুষ করতে থাকেন তার নাবালক সন্তান দুটিকে, সেই সময় ছোট ভাইকে রেখে ১৩ বছর বয়সে গ্রাম ছেড়ে জননীর ছায়া পিছনে রেখে, সংস্কৃত পাঠ গ্রহণের উদ্দেশ্যে কৃষ্ণচন্দ্র হাজির হয়েছিলেন বিক্রমপুরে। সেখানকার প্রার্থেশ করে ঢাকা ও কলকাতা থেকে উপাধি অর্জন করেছিলেন তিনি। মাত্র 21 বছর বয়সে, বিশেষ জরায়ু রোগে বিদায় নিতে হয়েছিল সুকান্ত ভট্টাচার্যকে, কিন্তু কবিত তাহার কবিতা, স্মরণ করিয়ে রাখে, আজকের দিনটিকে,
বিভিন্ন ছড়া লিখে শিশু কবি যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, সুকান্তের শৈশবের আরেকটি রচনা প্রিয় ছিল,তিনি একটি গান লিখেছিলেন,…… তোমার মহিমা কত কবো আর , এইখানে গান শেষ আমার,
কবি চলে গেলেও ভুলেনি তাহাকে এই কিশোর বাহিনী, তাই জেলায় গড়ে তুলেছে তাহাদের সংগঠন, প্রশিক্ষণ ও কর্মকাণ্ড, তারা চেয়েছেন কবি সুকান্তের মতো, এই ছোট ছোট শিশুরা হয়ে উঠুক তাহার অনুপ্রেরণা নিয়ে।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.