বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অপপ্রচারের অন্ধকার ভেদ করে সেবার মানসিকতায় উজ্জ্বল আশুলিয়া ভূমি অফিস যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসীরা দেশে ফিরলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে : নুর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া থেকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের জুলাই সনদের প্রতি শতভাগ অঙ্গীকারাবদ্ধ সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবাধিকার প্রেসক্লাব ও অধিকার প্রতিদিন পত্রিকার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জাবিসাসের ‘পাঁতানো নির্বাচন’ স্থগিতের দাবি, উপাচার্যকে চার সদস্যের চিঠি
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
অপপ্রচারের অন্ধকার ভেদ করে সেবার মানসিকতায় উজ্জ্বল আশুলিয়া ভূমি অফিস
/ ২ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি : ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়া ভূমি অফিসকে ঘিরে একসময় নানা নেতিবাচক গুঞ্জন শোনা গেলেও বর্তমানে সেখানে বইছে একেবারেই ভিন্ন চিত্র। বর্তমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীর আন্তরিকতা, দক্ষতা এবং নিরলস প্রচেষ্টায় একসময়ের ভোগান্তির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত এই অফিসটি এখন সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বিশেষ এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই ভূমী অফিসের এক ভিন্ন বাস্তবতা। জানা গেছে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ফলে যারা অনৈতিক সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয়েছে, সেই স্বার্থান্বেষী একটি মহলই মূলত বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি ব্যবহার করে অপপ্রচার চালালেও বাস্তবে দেখা গেছে—এটি কোনো সিন্ডিকেট নয়, বরং সেবা নিশ্চিত করতে গড়ে ওঠা একটি কার্যকর ও সমন্বিত কর্মদল। এখন এই অফিসে আর ঐ সব অবৈধ্য কার্যক্রম চলবে না বলে জানিয়েছেন উদ্ধতন কর্মকতারা। অফিসটি কে দালালমুক্ত করতে এবং দাপ্তরিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্মুখসারিতে থেকে কাজ করছেন নাজির সোহান হাওলাদার এবং কানুনগো জহিরুল ইসলাম। সরেজমিনে দেখা গেছে, তারা নিয়মিতভাবে গভীর রাত পর্যন্ত দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করে ফাইল নিষ্পত্তির দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনছেন এমন তথ্য জানিয়েছেন সেবা গ্রহীতারা। অন্যদিকে অফিসের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করছেন নৈশপ্রহরী মানিক মিয়া। এছাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সেবা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন দক্ষ অফিস সহায়ক রফিকুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদ। তাদের সক্রিয় উপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ এখন দালাল বা মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। ভূমি সংক্রান্ত আইন-কানুন ও নামজারি প্রক্রিয়া সাধারণ মানুষের কাছে অনেক সময় জটিল ও দুর্বোধ্য মনে হয়। সেই জটিলতা দূর করতে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন সাইদুল, ইয়াসিন এবং আলমগীর শিকদার ঝন্টু-এর মতো কর্মঠ উমেদাররা। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তারা অনেক ক্ষেত্রেই কোনো ধরনের পারিশ্রমিক ছাড়াই মানুষের কাগজপত্রের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে নামজারি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সহায়তা করছেন। স্থানীয় সমাজকর্মী দ্বীন ইসলামসহ আরও কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক মানুষের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের এই উদ্যোগে সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সমন্বিত টিমের কঠোর অবস্থানের ফলে বর্তমানে আশুলিয়া ভূমি অফিসে ফাইলে কাটাকাটি বা জালিয়াতির সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে স্বল্প সময়ের মধ্যে নামজারি সম্পন্ন করা, খতিয়ান নিষ্পত্তি এবং বিতর্কিত জমির কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে সঠিক সমাধান দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা যে দক্ষতা ও সততার পরিচয় দিচ্ছেন, তা ডিজিটাল ভূমি সেবার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে দালালি বা অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা ভোগ করত, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার ফলে তাদের সেই পথ বন্ধ হয়ে গেছে। আর সেই কারণেই তারা সুপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের মতে, এই কর্মীরা না থাকলে সাধারণ মানুষ ভূমি আইনের জটিল মারপ্যাঁচে পড়ে আরও বেশি ভোগান্তির শিকার হতো। মানবিক আচরণ, দায়িত্ববোধ এবং দৃঢ় কর্মনিষ্ঠার সমন্বয়ে আজ আশুলিয়া ভূমি অফিস ধীরে ধীরে একটি সত্যিকারের জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ নিচ্ছে—যা প্রান্তিক মানুষের কাছে নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ফাইলে কাটাকাটি বা জালিয়াতি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট টিমের কঠোর ও আপোষহীন অবস্থান।ডিজিটাল পদ্ধতিতে রেকর্ড সময়ে নামজারি ও খতিয়ান নিষ্পত্তিতে অভাবনীয় অগ্রগতি। অফিস সময়ের বাইরেও সাধারণ মানুষের কাগজপত্রের জট খুলতে স্বেচ্ছাসেবামূলক সহায়তা প্রদান। তবে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সেবার মান কে আরো উন্নতি করতে হবে। চিরতরে দালাল মুক্ত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.