ধানমণ্ডি ৩২-এ ফুল দিতে এসে জনতার রোষানলে পড়লেন এক নারী। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ঐ নারীকে পুলিশ হোফাজাতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিবারনে প্রাথমিক ভাবে জানাযায়,পূর্ব ঘোষিত আইন অনুযায়ী কেউ ধানমণ্ডিতে বা কোথাও কর্মসূচি করতে গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন ঘোষনা করেন বর্তমান সরকার। তবুও এক নারী ধানমণ্ডি ৩২-এ ফুল দিতে এসে জনতার রোষানলের শিকার হয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে । উলেখ্য শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি সপরিবারে হত্যার শিকার হন। তিনি ছাড়াও নিহত হন তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, শেখ ফজলুল হক মনি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মনি, শেখ মুজিবুর রহমানের ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তাঁর ছোট মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ শিশুপুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুল নঈম খান রিন্টু এবং শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসা প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। তবে গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১৫ আগস্টের সাধারণ ছুটি বাতিল করে। এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ১৫ আগস্ট ঘিরে কেউ কোনো কর্মসূচি পালন করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ১০ আগস্ট রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড হয়েছে, এটি দুঃখজনক। তবে দিনটি আগস্টের অন্য ৩১ দিনের মতোই। কেউ ধানমণ্ডিতে বা কোথাও কর্মসূচি করতে গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবুও এক নারী ধানমণ্ডি ৩২-এ ফুল দিতে এসে জনতার রোষানলের শিকার হয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ।

