শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় যেতে তারা জুলাইকে ব্যবহার করতে চায়: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চাষাবাদে ফেরাতে সরকার সহায়তা অব্যাহত রাখবে: কৃষিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত আলহাজ্ব আব্দুল গনি শেখকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে ভুল তথ্যের সংশোধন ও দুঃখ প্রকাশ দেশের যেখানে সেনা অবস্থান, সেখানে হবে বৃক্ষরোপণ: সেনা প্রধান ইংল্যান্ডের বিদায়, অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ‎ডুমুরিয়ায় এমপির নির্দেশনায় উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বে জরাজীর্ণ রাস্তা সংস্কার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে জাতীয় ঐক্য রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
খাল আমাদের প্রাণ”-কলাপাড়ায় খাল দখল-দূষণ রোধে তিন সংগঠনের দাবি
/ ১৪৫ টাইম ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:১৭ অপরাহ্ন

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ সোমবার বিকেলে আন্ধারমানিক নদীর তীর সংলগ্ন এলাকায় “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)”, “পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, কলাপাড়া” ও “আমরা কলাপাড়াবাসী” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)” কলাপাড়া উপকূলীয় অঞ্চল সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু বলেন, খাল-নদী বেষ্টিত সাগরঘেষা কলাপাড়া উপজেলার অধিকাংশ মানুষের প্রধান পেশা কৃষি ও মৎস্য শিকার। এই অঞ্চলের কৃষিকাজ, নিত্যদিনের প্রয়োজনীয়তা ও জীবিকার অন্যতম উৎস খালের পানি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে খাল ভরাট, দখল ও দূষণের কারণে মিঠা পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।তিনি আরো বলেন, ৬০-এর দশকে জলোচ্ছ্বাস ও লোনা পানির আগ্রাসন ঠেকাতে বেড়িবাঁধ ও সুইসগেট নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে এর বিরূপ প্রভাব দেখা দিয়েছে। খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। একদিকে পলিতে খাল ভরাট, অন্যদিকে জমির মালিকরা সেই জায়গা দখল করে চাষাবাদ, পুকুর ও বসতবাড়ি নির্মাণ করেছেন। ভূমি অফিসের অনিয়ম ও উদাসীনতার কারণে এসব দখলদারিত্ব এখনও চলছে।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অন্তত দুই শতাধিক খাল নিশ্চিহ্ন হয়েছে। তহশিল অফিসের অনীহায় ভরাট খালগুলো এখন কৃষিজমি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো সরকারিভাবে মাছ চাষের নামে লিজ দিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যবহার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুনর্খনন প্রকল্পে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের মতামত না নেওয়ায় প্রয়োজনীয় খাল পুনর্খনন হয়নি। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। আরও বলেন, কুয়াকাটা পৌরসভার লতাচাপলী মৌজার দেড় একর খাস খতিয়ানের একটি খাল নবোদয় হাউজিং নামে একটি প্রতিষ্ঠান ভরাট করে দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখনো সরকারি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)” কলাপাড়া উপকূলীয় অঞ্চল সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু, “পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, কলাপাড়া” সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম, “আমরা কলাপাড়াবাসী” সভাপতি নাজমুস সাকিব প্রমুখ।বক্তারা কলাপাড়া ও কুয়াকাটার খালগুলো রক্ষায় সরকারি কার্যকর পদক্ষেপ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.