বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে নিরাপদ ও সমৃদ্ধশালী। আমরা আওয়ামী লীগের মতো দেশের ক্ষতি করব না। আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা তারেক রহমান সেই শিক্ষা আমাদের দেননি। আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো ইনশাল্লাহ। সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে গত ১৬ বছর ধরে লাগাতার আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে আসছে বিএনপি। যার নেতৃত্ব দেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপির আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। যার নেপথ্যে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান আমাদের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। তা হলো আমাদের আগামীর রাজনীতি হবে মেধাভিত্তিক। যেখানে রাষ্ট্র ও সমাজ নতুনভাবে সংগঠিত হবে। আজ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের একাংশ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মরুহুম শহিদুজ্জামান বেল্টুর সহধর্মীনী ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী মুর্শিদা জামান বেল্টু প্রেস ক্লাব ফেডারেশনের আহবায়ক ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে এ সব কথা বলেন। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় মনোনয় পত্যাশী মুরশিদা জামান বেল্টুর বলেন, আমি আগামী জাতিয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী । আশা করি দেশনেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন মহান নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমার স্বামী মরুহুম শহিদুজ্জামান বেল্টুর আদর্শের কথা বিচার বিবেচনা করে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন। তিনি বলেন,আমি ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী। ১৯৯১ সাসে আমার স্বামীর হাত ধরে বিএনপিতে যোগদান করি। তার পর থেকে বহু ঘাত প্রতিঘাত সয্য করে এ পর্যন্ত এসেছি। আমার এলাকার জনসাধারন আমাকে ভালবাসেন আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি জয়ী হব ইনশাল্লাহ। মিসেস মূর্শীদা জামান বলেন, “শহিদুজ্জামান বেল্টু রাজনীতি করতেন দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য, নিজের জন্য নয়। আজকে তার সেই রাজনীতিকে আড়াল করে এমন একটি ধারা গড়ে উঠেছে যেখানে স্বার্থপরতা, হিংসা আর মিথ্যাচার জায়গা করে নিচ্ছে। বিএনপির প্রকৃত নেতৃত্ব ও আদর্শকে ভুলিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আমি এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, “যারা আজ বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তারা বেল্টুর আদর্শ জানে না, মানে না। দলকে বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেই দুর্বল করার চেষ্টা করছে। শহিদুজ্জামান বেল্টুর মতো নেতৃত্বের অভাব আজ বিএনপিকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মিসেস মূর্শীদা জামান মনে করেন, শহিদুজ্জামান বেল্টুর রাজনীতির মূল শক্তি ছিল জনগণের ভালোবাসা, সৎ সাহসিকতা এবং আপসহীন দেশপ্রেম। আজকের তরুণ প্রজন্মের জন্য তার রাজনীতি হতে পারে একটি আলোকবর্তিকা। উল্লেখ,ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এবং সমগ্র ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপির রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য নাম মরহুম আলহাজ্ব এম শহিদুজ্জামান বেল্টু। তিনি ১৯৯১ সালের নির্বাচনের অংশ নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০০১ সাল পর্যন্ত পর পর চারটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বেল্টু সংসদ সদস্য থাকাকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এলাকার স্কুল, কলেজ, ব্রিজ ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন করেন।

