এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধ বিলের পানি নিস্কাশিত হওয়ার আগেই হরি-আপার ভদ্রা নদীতে ক্রস বাঁধ দেওয়ার ঘোষনায় বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কিত এলাকাবাসীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। জলাবদ্ধ বিলের পানি নিষ্কাশনের দাবিতে ১৮ নভেম্বর পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে এলাকাবাসির পক্ষে হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসন কমিটির সভাপতি ও সাবেক বাপাউবো’র সদস্য মহির উদ্দিন বিশ্বাস। সূত্রে জানা গেছে, হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮১.৫ কিলোমিটার নদী খনন প্রকল্পের জন্য ২০ নভেম্বর সেনাবাহিনী কর্তৃক ক্রসবাধঁ দিয়ে নদী খনন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আপার ভদ্রা অববাহিকায় চলতি বোরো (ইরি) মৌসুমে ৭টি উপজেলা কেশবপুর, মনিরামপুর, যশোর সদর,অভয়নগর, ফুলতলা, ডুমুরিয়া, তালা প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ ও পানি নিস্কাশনের মাধ্যমে ২৫০০ হাজার কোটি টাকার বেশি ও ৫০০ কোটি টাকার উর্দ্ধে গো খাদ্য বিচলি সহ মোট ৩০০০ কোটি টাকার খাদ্য ও গো-খাদ্য উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের আগেই ক্রস বাঁধ দিলে অত্র এলাকার প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি হয়ে পড়বে। ঘের মালিকের সাথে কৃষক বা জমির মালিকদের চুক্তি অনুযায়ী এ অঞ্চলে বোরো মৌসুমে চাষাবাদ শুরু হয় প্রতি ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে জানুয়ারির ৩১তারিখ পর্যন্ত। কৃষকদের খাদ্য ও গো খাদ্য উৎপাদনের স্বার্থে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে হরি- আপার ভদ্রা নদীতে ক্রস বাঁধ দিয়ে নদী খনন করার দাবিতে এলাকাবাসী ও-ই স্মারকলিপি করেছেন। এবিষয়ে জলাবদ্ধতা নিরসন কমিটির সভাপতি ও সাবেক সাবেক বাপাউবো’র সদস্য মহির উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, জলাবদ্ধ এলাকার কৃষকদের যৌক্তিক দাবির প্রেক্ষিতে ও-ই আবেদন করা হয়েছে।

