রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী প্রচার মঞ্চে–সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। কেশবপুরে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন জিয়ানগরে নিজের বিয়ে ঠেকাতে এসএসসি পরীক্ষার্থী থানায় সরকার গত ২ মাসে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে : প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ সরকার ২ মাসে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে: জালানী প্রতিমন্ত্রী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অসহায় ও ভূমিহীনদের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
জিয়ানগরে নিজের বিয়ে ঠেকাতে এসএসসি পরীক্ষার্থী থানায়
/ ৫ টাইম ভিউ
আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ন

কামরুল ইসলাম জিয়ানগর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : পিরোজপুর জেলার জিয়ানগরে নিজের বাল্যবিয়ে রুখতে থানায় আশ্রয় নিলেন এক স্কুল শিক্ষার্থী। পরে বাল্যবিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা নিয়ে ওই ছাত্রীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।শনিবার উপজেলার চাড়াখালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আলোচনায় আসা তাহমিনা আক্তার উপজেলার সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার উপজেলার চাড়াখালী গ্রামের আলম হাওলাদার তার মেয়ে তাহমিনা আক্তারকে প্রবাসী এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে বাড়িতে ব্যাপক আয়োজন করেন। তবে বাল্যবিয়েতে অমত ছিল তাহমিনার। তাই সে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বের হয়ে ইন্দুরকানী থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। পরে থানার সহযোগিতায় বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে তার বাবা তাহমিনাকে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে শুক্রবার রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবারও বিয়ের জন্য মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। শনিবার সকালে তহমিনা আবারও থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন।তাহমিনা আক্তার থানায় বসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে যদি আবারও বাড়িতে পাঠান তাহলে আমাকে জোর করে বিয়ে দিবে আমার বাবা। আমার চার দিন পরে এসএসসি পরীক্ষা। আমি পরীক্ষা দিতে চাই এবং লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চাই। আমি প্রশাসন ও আপনাদের সহযোগিতা চাই।’তাহমিনার বাবা আলম হাওলাদার বলেন, আমি গরীব মানুষ। ভালো ছেলে পাওয়ায় আমি বিয়ের আয়োজন করি। কিন্তু মেয়ে রাজি না হওয়ায় বিয়ে হয়নি। আমি সবার সিদ্ধান্ত মেনে নিলাম। বিয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত আর তহমিনাকে বিয়ে দিবো না।ইন্দুরকানী থানার এস আই সাইদুর রহমান জানান, সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষার পাওয়ার জন্য দুইবার থানায় এসেছে। আমরা তার অভিভাবককে ডেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.