ডেস্ক রিপোর্ট : সুইডেনকে রীতিমতো গোলবন্যায় ভাসিয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। এফ’ গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে ডাচদের কাছে ৫-১ গোলে হেরেছে সুইডিশরা। ডাচদের হয়ে জোড়া গোলের দেখা পেয়েছেন ব্রবি ও গাকপো। শনিবার (২০ জুন) হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দু’দল। ম্যাচের শুরুর দিকেই এগিয়ে যায় ডাচরা। পঞ্চম মিনিটে কোডি গাকপোর দারুণ এক পাসে পা ছুঁয়ে গোলটি করেন ব্রবি।১২ মিনিট বাদে ফের গোলের দেখা পান ব্রবি। মাঠের ডান পাশ থেকে ডেনজেল ডামফ্রিসের বাড়ানো পাসে পা ছুঁয়ে গোল করেন সান্ডারল্যান্ড ফরোয়ার্ড। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি তার ৩য় গোল।বিরতির আগে শেষ দিকে দুটি দারুণ সেভ করেন ডাচ গোলকিপার বার্ট ভারব্রুগেন। ব্যবধান আর না বাড়ায় ২-০ তে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় নেদারল্যান্ডস।দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে তোলে ডাচরা। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে ডেনজেল ডামফ্রিসের সহায়তায় দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন কোডি গাকপো।সাত মিনিটের ব্যবধানে ফের
লক্ষ্যভেদ করেন গাকপো। ৫৪তম মিনিটে দারুণ এক শটে দলের পক্ষে চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই লিভারপুল তারকা। গাকপোর গোলটি এই বিশ্বকাপের শততম গোল।৫৯তম মিনিটে এক গোল শোধ করে সুইডেন। ৫৯তম মিনিটে প্রতি–আক্রমণে গোলটি করেন বদলি নামা অ্যান্থনি এলাঙ্গা।ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ৫ম গোলের দেখা পায় নেদারল্যান্ডস। ৮৯ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করে স্কোর শিটে নাম তোলেন ক্রিসেনসিও সামারভিল।অনেকে ভেবেছিল এই ম্যাচটাই হয়ত গ্রুপ এফ-এর সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ হবে। কিন্তু ম্যাচটা হলো একদমই একপেশে। যেখানে দাপটের সঙ্গে ৫-১ গোলের জয় তুলে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস।শুরু থেকেই আক্রমণ শুরু করে কমলা জার্সিধারীরা। ৫ম মিনিটেই দলকে লিড এনে দেন ব্রায়ান ব্রবি। এরপর ১৭ মিনিটে তিনি দলের এবং নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন।বিরতির পর নিজের ঝলক দেখান কোডি গাকপো। ৪৭ ও ৫৪ মিনিটে দুটি গোল করে দলের হয়ে ব্যবধান আরও বাড়ান এই তারকা ফরোয়ার্ড।শেষে ৮৯তম মিনিটে চেরি অন দ্য টপ হিসেবে নেদারল্যান্ডসের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন ক্রিসেনসিও সামারভিল। মাঝে ৫৪তম মিনিটে সুইডেনের অ্যান্থনি এলাংগা একটি সান্তনাসূচক গোল করেছেন।এই জয়ের সুবাদে নিজেদের গ্রুপে ৪ পয়েন্টের সঙ্গে শীর্ষস্থান দখল করল নেদারল্যান্ডস, একইসঙ্গে গোল ব্যবধানে বেশ এগিয়ে থেকে পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা মসৃণ করে রাখল ডাচরা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সুইডেন, তাদের পয়েন্ট ৩। বাকি দুই হল জাপান ও তিউনিসিয়া আছে তলানিতে।

