নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সাংবাদিক সোহেল রানাকে নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি নিজেই। প্রকাশিত সংবাদে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক সোহেল রানা।এ বিষয়ে এক প্রতিবাদলিপিতে সোহেল রানা বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে বাস্তব ঘটনার কোনো মিল নেই। তিনি কখনো সংশ্লিষ্ট কোনো আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ছিলেন না এবং ওই পরিচয় ব্যবহার করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করেননি বলেও দাবি করেন। প্রতিবাদলিপিতে তিনি জানান, বর্তমানে তিনি ঢাকা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি আশুলিয়া মডেল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য এবং দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সহসম্পাদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। সোহেল রানা আরও দাবি করেন, ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার কাঠগড়া উত্তরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘কাউ বয় ফুডস কোম্পানি লিমিটেড’-এর সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে তিনি বাধা দিয়েছেন—প্রকাশিত প্রতিবেদনে থাকা এমন অভিযোগও তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রকৃত সত্য উদঘাটনের স্বার্থে আমি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার মতো একটি দায়িত্বশীল পেশায় কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি বা মহল যাতে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের মাধ্যমে একজন সাংবাদিকের পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সে বিষয়ে গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।
প্রতিবাদলিপিতে সাংবাদিক সোহেল রানা প্রকাশিত সংবাদের তথ্য ও সত্যতা যাচাই, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তিনি একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনে যথাযথ সংশোধনী প্রকাশের আহ্বান জানান।
—প্রতিবাদকারী
সাংবাদিক সোহেল রানা

