সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় হাইকমিশনারের বার্তা এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সর্বপ্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির : রাশেদ বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতালি বিমানবন্দরে আটকা ঢাকাগামী বিমান, ভেতরে আড়াই শতাধিক যাত্রী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম, নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
খুলনায় নৌযান থেকে দুই শ্রমিক অপহরণ: ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও উদ্ধার নয়, আতঙ্কে পরিবার
/ ৮৯ টাইম ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি  : খুলনা মহানগরী আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় এসেছে। চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার নৌপথে সংঘটিত হয়েছে চাঞ্চল্যকর অপহরণের ঘটনা।জানা গেছে, গত ২৪ জুন ২০২৬ দিবাগত রাতে আনুমানিক রাত ৩টার দিকে খুলনা ইট-বালি নৌ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আব্দুল গনি শেখের একটি ইঞ্জিনচালিত বোর্ড (নৌযান) এক নম্বর কাস্টম ঘাটে থেকে তার মেয়ে জামাতা মোঃ খলিল হাওলাদার (৩০), পিতা- মোঃ লতিফ হাওলাদার, গ্রাম- বালিপাড়া বটতলা, থানা- ইন্দুরকানী, জেলা- পিরোজপুর এবং নৌযানের মাঝি মামুন রহস্যজনকভাবে নৌযান সহ নিখোঁজ হন। পরিবারের দাবি, অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা তাদের অপহরণ করেছে।নিখোঁজ খলিল হাওলাদারের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৯৩০৪০১১৯৪ এবং মাঝি মামুনের মোবাইল নম্বর ০১৭১০৯৭৫১৩০ দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে স্বজনরা জানান।ঘটনার পর খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ তৎপরতায় অপহৃতদের বহনকারী বোর্ডটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। তবে ঘটনার ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও অপহৃত দুই ব্যক্তির কোনো সন্ধান মেলেনি।এ বিষয়ে রূপসা থানা, খুলনা সদর থানা এবং নৌ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তারা জানান, নিখোঁজ দুই ব্যক্তিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময় চাঁদা আদায় করে আসছিল। চাঁদা না পেয়ে বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই অপহরণের ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। অপহৃতদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।স্থানীয় শ্রমিক নেতারা দ্রুত অপহৃতদের উদ্ধার এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, নৌপথে এমন অপহরণের ঘটনা শ্রমিকদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করেছে এবং নৌ পরিবহন খাতের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।অপহৃতদের স্বজনরা দেশের প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তারা অপহৃত দুই ব্যক্তিকে দ্রুত জীবিত উদ্ধার করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপহৃত দুই ব্যক্তির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.