এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি, অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা জানান, কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ বশির আহমেদ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী সহকারী অধ্যাপক মোঃ মাসুম বিল্লাহকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, জ্যেষ্ঠতায় ৭ম স্থানে থাকা প্রভাষক মোঃ আবুল কালাম আযাদ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ভুল বুঝিয়ে এবং শিক্ষকেদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যা সংশ্লিষ্ট বিধিমালার পরিপন্থী।শিক্ষকদের অভিযোগ, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি তার ছোট ভাই এসপি মোঃ রেজাউল করিমের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কলেজে স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। কলেজের অভ্যন্তরীণ আয় ব্যাংকে জমা না রেখে ও নির্ধারিত ক্যাশ বইয়ে লিপিবদ্ধ না করে তা আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয় তার বিরুদ্ধে। এছাড়া, শিক্ষকেদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখানোর ঘটনাও উল্লেখ করা হয়।তারা আরও জানান, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কলেজের সভাপতির কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষকরা নিজেদের সম্মান রক্ষা এবং কলেজের আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকবৃন্দ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।এ বিষয়ে প্রভাষক মোঃ আবুল কালাম আযাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
কলাপাড়ায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে মিছিল ও মানববন্ধন

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া: নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে ছাত্রশিবির নেতা হাওলাদার আরিফের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজ ক্যাম্পাসে মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
সোমবার বেলা ১১টায় কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় তারা ইভটিজিংয়ের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীর শাস্তির দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাইমুন রহমান ইসমাইল এবং সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন। বক্তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

