রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা : বাগেরহাটের রামপালে বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের মাতা ছকিনা বেগম (৯০) ইন্তিকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২ টায় তিনি নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে মারা যান। মৃত্যু কালে তিনি ২ ছেলে ও ৩ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমার নামাজে জানাজা বেলা ১১ টা উপজেলার বড়দিয়াস্থ নিজ গ্রামের মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।তার জানাজায় অংশগ্রহণ করেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবু, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাওলাদার আ. মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনিসহ রামপাল ও মোংলার সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময় বাগেরহাট বিএনপির নেতৃবৃন্দও জানাজায় শরিক হন। এ ছাড়াও উপজেলা জামায়াতের শেরোয়ান শেখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ শরিক হন। নেতৃবৃন্দ মরহুমা আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
দিগরাজ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মুন্নাকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দিগরাজ কলেজ শাখার নবগঠিত সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মুন্নাকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও সংবাদ মাধ্যমে এ সব অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। এমন অপপ্রচারে ভ্রাতৃপ্রতিম এই সংঘঠনের নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন।ছাত্রনেতা মনিরুজ্জামান মুন্না বলেন, ছাত্রত্ব ও পদ নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অসত্য এবং মনগড়া। তিনি আরো বলেন, তিনি ছাত্রদলের আদর্শের সৈনিক। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আগামীতে তারুণ্যের অহঙ্কার তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষে দিগরাজ কলেজে ইন্টারমিডিয়েট অধ্যয়নকালে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়ে বারবার নির্যাতন ও হয়রানির মুখে পড়তে হয়। তবুও রাজপথে থেকে এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে অটল থেকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছি।তিনি বলেন, স্বৈরাচারের পতন ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রতিটি সংগ্রামে আমার সরব উপস্থিতি ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটি আমাকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেছে।নিজের ছাত্রত্ব বিষয়ে প্রশ্ন তোলার প্রেক্ষিতে মুন্না বলেন, বর্তমানে আমি পুনরায় পড়াশোনায় ফিরে এসেছি এবং পুনঃনিবন্ধন সম্পন্ন করছি।তিনি আরও বলেন, গঠনমূলক সমালোচনাকে আমি সবসময় স্বাগত জানাই। তবে যে সংগঠনের জন্য আমি নিজের শিক্ষা, স্বপ্ন ও জীবনের নিরাপত্তা বিসর্জন দিয়েছি, সেই সংগঠনের নেতৃত্বে আসার পর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি ছাত্রদলের পতাকা, জিয়া পরিবার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ অক্ষুণ্ণ রাখতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। তিনি নেতাকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন।

