শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অসহায় ও ভূমিহীনদের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার ১৮০ দিনের কর্মসূচির আলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী জনকল্যাণ কর্মসূচির বিরোধিতাকারীদের সম্পর্কে দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বৈশাখে মাতলো সারাদেশ, আনন্দোৎসবে বাংলা নববর্ষ উদযাপন কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানের সব বন্দর অবরোধ শুরু মার্কিন বাহিনীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
মব ভাইরাসে আক্রান্ত দেশ : সরকার সাংবাদিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কেহ রক্ষা পাচ্ছে না
/ ৩০৪ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:০৮ পূর্বাহ্ন

আওরঙ্গজেব কামালঃ বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে এক নতুন ডিজিটাল নিপীড়ন—যা অনেকেই “মব ভাইরাস” নামে আখ্যা দিচ্ছেন। সাংবাদিকদের ছবি, রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত মুহূর্ত কিংবা বিগত সরকারের নেতাদের সাথে তোলা ছবি এখন বিকৃত ব্যাখ্যায় ছড়িয়ে পড়ছে । এর ফলে বিভ্রান্তি, সুনামহানি, সামাজিক অস্থিরতা এমনকি সহিংস ঘটনাও ঘটছে। মবের হাত থেকে বর্তমান সরকার ও বাদ যাচ্ছে না। এ কারনে আত্নঙ্কে রয়েছে অধিকাংশ সাংবাদিকসহ সর্বশ্রেনীর মানুষ। কারন বিগত সরকারের অনেক ছবি বা নিউজ সাংবাদিকতার খাতিরে করতে হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অনেক রাজনৈতিক দরের নেতাদের সাথে ছবি তুলতে বাধ্য হয়েছে। আর সেই সব ছবি দিয়ে এখন এক শ্রেনীর প্রতারক চক্র মব তৈরী করে, একদিকে সরকারের সুনাম নষ্ট করছে। অপরদিকে অনেকের নিকট থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ধান্ধায় মেতেছে। আমার মতে সাংবাদিক তো কোন দলের হতে পারে না। নিউজের জন্য প্রতিটি সাংবাদিকদের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সরকারের দায়ীত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিকট যেতে হয়। আর অনেক সময় অনেকের ক্যামেরায় আটকা পড়ে যায়। এছাড়া সাংবাদিকরা যে যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ঐ মিডিয়া বা পত্রিকার মালিক কতৃপক্ষের বা নিউজের এ্যাসারমেন্টে অনেক সময় সরকারের মন্ত্রী এমপি ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে যেতে হয়। এছাড়া অনেক সাংবাদিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সরকারের আহবানে বা রাজনৈতিক নেতাদের আহবানে অনেক মিটিং,সভা,সমবেশে অতিথি হিসাবে যেতে হয়। না গেলে সাংগঠনিক সমস্যা দেখা দেয়। সেই সুবাদে হয়তো অনেক সময় ছবি বা ভিডিও অনেকের নিকট থাকতে পারে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের পেশিশক্তি দেখিয়ে সে সময় দেশে একনায়েকতন্ত তৈরী করে ছিল। গত ১৫ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে গুম, খুন, ভয় ও ত্রাস সৃষ্টি করে সরকার ক্ষমতায় টিকে ছিল সেটা সকলে জানেন। কারনে অকারনে বা ভয়ে অনেক সাংবাদিক বা অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নিজের জীবন বাঁচার জন্য সঙ্গ দিতে হয়েছে। আর আজ সেই ভিডিও বা ছবি তার জীবনের কাল হিসাবে দাঁড়িয়েছে। আমার মতে আগে কারো ছবি বা ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করার আগে দেখতে হবে ঐ ব্যাক্তি সেই রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত বা কোন কমিটিতে নাম আছে কিনা। বা সে বিগত সরকারের সময় ক্ষমার ব্যবহার করে অঢেল সম্পাদের মালিক বনে গিয়েছে কি না? আর যদি সে দুষী প্রমানিত হয় তাহলে আমার কোন কথা নেই । তবে তার বিরুদ্ধে ছবি দিয়ে প্রচারের চেয়ে আইনের আমলে আনা উচিত। কিন্ত খবর নিয়ে যানাযায়,দেশের অধিকাংশ ভূয়া ফেসবুক আইডি বা ই্উটিউবের মাধ্যমে অহেতুক ভাবে ছবি বা ভিডিও আপলোড করে হয়রানী করছে।সমাজে এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তার শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরাও। আসলে এখন নানা গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। সাংবাদিকদের লেখা বা মতামত তাদের পছন্দ না হলে, বিরুদ্ধে গেলেই তারা সাংবাদিকদের ওপর নানাভাবে আক্রমণ করছেন। তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও হেনস্তা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মব উসকে দেয়া হচ্ছে। বর্তমানেও হচ্ছে। সাংবাদিকদের লেখনি যাদের বিরুদ্ধেই যায়, তারাই সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে। রাজনৈতিক নেতা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ সবাই- যাদের বিরুদ্ধে যায় তারাই হামলা করে। আর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নির্লিপ্ত থাকে, কোনো ব্যবস্থা নেয় না।
মব ভাইরাস কীভাবে কাজ করে?
১. ছবি ও পরিচয়ের অপব্যবহার: অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক সমাবেশ বা ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
২. ভুয়া প্রোফাইল ও পেজ: নামহীন বা ভুয়া আইডি ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হয়।
৩. ডক্টরড ইমেজ ও ভুয়া ক্যাপশন: ছবি এডিট করে বা মিথ্যা গল্প জুড়ে দেওয়া হয়।
৪. মিডিয়া-বোমা প্রভাব: হঠাৎ একটি ছবি ভাইরাল হয়ে পড়ে, যেন সেটিই “প্রমাণ”—কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই।

গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাস্তবতা তা সকলের জানেন। সেখানে দেশের অধিকাংশ মানুষ বিগত সরকারকে উৎখাত করতে সামিল হয়েছিল। শুধু আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা বাদে। আর এই জিহাদ ছিল আওয়ামীলীগ বনাম ছাত্র-জনতার। তবে এখানে অনেকে ইচ্ছায় হোক আর অনইচ্ছায় হোউক আওয়ামীলীগের বিপক্ষে অবস্তান নেয়। তার উদাহরণ এনসিপির অনেক নেতা বা বর্তমান সরকারের অনেক উপদেষ্টা রয়েছে। ফলে গত ৫ আগষ্টে এ তার কি ভূমিকা ছিল সেটা অবশ্যই সকলকে ভাবতে হবে। আমি বর্তমানের মবের কিছু ঘটনা আপনাদের সামনে শেয়ার করতে করছি। বর্তমানের বাংলাদেশের মব বা গণসহিংসতার ঘটনাগুলো বিচারবহির্ভূত মারধর, লুটপাট, এবং হেনস্তার মতো ঘটনাগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি এখন এক ধরনের “মব সন্ত্রাস” এ পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে গত বছর শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকে এমন ঘটনাগুলো বেড়ে গেছে, যার ফলে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যেটা ছিল-
৩১ আগস্ট: গাজীপুরে ভুয়া আইডি থেকে এক সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় জিডি করেন। রাজশাহীর পবায় খানকা শরিফে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
রাজবাড়ী ও রাজশাহীতে মাজার ও খানকাহ শরীফে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় আগে থেকে তথ্য থাকার পরও তা থামাতে বা বন্ধ করতে পারেনি পুলিশ। গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার মাজার ভাংচুর ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা এখন আলোচিত।
শ্রীমঙ্গল ও অন্যান্য জেলা: বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের ছবি ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া সাভার ও আশুলিয়ায় অনেক সাংবাদিকদের ছবি ফেসবুকে পোষ্ট করে মব সৃষ্টি করেছে।
সাংবাদিকদের ওপর হামলা: বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকরা শারীরিক হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন, যার পেছনে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তির প্রভাবও রয়েছে।
সরকারও বাদ যাচ্ছে নাঃ
মব ভাইরাস কেবল সাংবাদিকদেরই আঘাত করছে না, বরং সরকারের ভাবমূর্তিও এর শিকার হচ্ছে। যেমন ভারতীয় মিডিয়া সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার করছে বা প্রচার অব্যহত রয়েছে। বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তাদের সভা-সমাবেশের ছবি বিকৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক নেতাদের সৌজন্যমূলক ছবিকে অপপ্রচারের হাতিয়ার বানানো হচ্ছে। এর ফলে সরকারের নীতিনির্ধারণী স্তরেও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, বিরোধীরা সুযোগ নিচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের প্রতিক্রিয়া
এক তরুণ সাংবাদিক জানান—
“আমি কোনো পক্ষের মানুষ নই, কিন্তু ফেসবুকে ছবি দেখে আমাকে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
একজন চাকরিজীবীর অভিজ্ঞতা—
“আমার পারিবারিক অনুষ্ঠানের ছবি হঠাৎ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, সাথে বিভ্রান্তিকর লেখা। এর ফলে পরিবার ও সহকর্মীদের কাছে হেয় হতে হয়েছে।”
একজন রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য—
“জনগণের সাথে সাক্ষাতের মুহূর্তগুলোই অপব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এটি শুধু আমার নয়, সরকারেরও ভাবমূর্তির ক্ষতি করছে।
কেন এত দ্রুত ছড়াচ্ছে?
বাংলাদেশে বর্তমানে ৫ কোটির বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী সক্রিয়।
ভুয়া খবর বা বিকৃত ছবি কয়েক ঘণ্টায় লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
fact-checking না করেই মানুষ তা বিশ্বাস করে শেয়ার করছে।
প্রতিরোধের পথ
সাংবাদিক সুরক্ষা আইন: সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা জরুরি।
ভুয়া প্রোফাইল শনাক্তকরণ: সরকারের সাইবার ইউনিটকে আরও কার্যকর করতে হবে।
Fact-checking প্ল্যাটফর্ম: Rumor Scanner Bangladesh এর মতো সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে—তারা ইতোমধ্যেই ১,০০০-এর বেশি ভুয়া তথ্য শনাক্ত করেছে।
মিডিয়া লিটারেসি শিক্ষা: জনগণকে শেখাতে হবে—“একটি ছবি মানেই পুরো সত্য নয়।”
সরকারের ভূমিকা: সরকারকেও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিতে হবে, কারণ এই ভাইরাসে তারাও বাদ যাচ্ছে না।
আমি মনে করি,বাংলাদেশে “মব ভাইরাস” এখন এক ডিজিটাল মহামারি। সাংবাদিক, সাধারণ মানুষ কিংবা সরকার—কেউই এর বাইরে নয়। ফেসবুকের অপব্যবহার এই ভাইরাসকে আরও শক্তিশালী করছে। তাই এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে: সুরক্ষা নীতি, ফ্যাক্ট-চেকিং, ভুয়া প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনতা ছাড়া এ ভাইরাস থামানো সম্ভব নয়।
মব ভাইরাস: ফেসবুকের ছবি-প্রচারণা নিয়ে সাংবাদিকদের কষ্ট ও জনমত বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
গজিপুরসহ সারাদেশে “মব ভাইরাস” নামে এক ডিজিটাল নিপীড়ন ছড়িয়ে পড়েছে—যেখানে সাংবাদিক ও স্থানীয় সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বিতর্কিত বা বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি কিংবা সরকারের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগের ছবি ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ, চাকরিজীবী, রাজনীতিবিদসহ অসংখ্যেই ভুক্তভোগী হচ্ছেন। মব সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নানা আশ্বাস দেয়া হলেও এক্ষেত্রে বারবারই প্রশ্নের মুখে পড়ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এমনকি সেনাবাহিনীর হুঁশিয়ারির পরও থামছে না দলবদ্ধ বিশৃঙ্খলা।
ছবি এবং পরিচয়ের অপব্যবহার: ভুয়া বা অনুমানমূলক ফেসবুক আইডি এবং পেজ থেকে ছবি ব্যবহার করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে—যাতে জনমনে ভিত্তিহীন ধারণা জন্মায় ।
মোবিলাইজেশনের হাতিয়ার ফেসবুক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে Facebook-এ ভুয়া প্রোফাইল, doctored image বা false narrative ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করাকে এক ধরনের “মব ভাইরাস” হিসেবে দেখা যাওয়া যায় । বাংলাদেশে Facebook ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রচুর, যার মাধ্যমে ভুল ছবি বা তথ্য অতিশয় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে । অজ্ঞাত বা অস্বীকৃত আইডি থেকে সাংবাদিক বা সাধারণ মানুষের ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি চালানো হচ্ছে । Fake news বা doctored images ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে মব সৃষ্টির শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে । ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকার ও প্রতিক্রিয়া থেকে জানাযায়,
চাকরিজীবী, রাজনীতিবিদও অনেকে একই ভয় প্রকাশ করেছেন, “হঠাৎ দেখি ছবি ও তথ্য ছড়িয়ে, যার দরুণ পরিবার-সমাজে আমার সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এমন ঘটনার শিকার অনেকে হয়ছে। আমি মনে করি এ থেকে মুক্তি পেতে সামাজিক আন্দোলনে সাংবাদিক সুরক্ষা ও সুনির্দিষ্ট নীত প্রয়োজন। Fact-checking সংগঠন যেমন Rumor Scanner Bangladesh-এর ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপুনঃ—তারা গণমাধ্যমে প্রচারিত ১ হাজারের বেশি মিথ্যা তথ্য শনাক্ত করেছে ।সাধারণ মানুষ, সাংবাদিক ও ছাত্র-সাধারণকে ‘ফেসবুকে দেখা তথ্য বিশ্বাস করো না’—এমন সচেতনতা বাড়াতে হবে। মিডিয়া শিক্ষা বাড়াতে হবে যাতে ছবি বা খবরের বিশ্লেষণ করে বিশ্বাস করা যায় । ফেসবুককে “মব ভাইরাস” সৃষ্টিতে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ও পন্থা হিসেবে fact-checking, মিডিয়া সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিশেষ করে ‘মব সন্ত্রাস’ এখন যেভাবে চলছে, এটি অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা প্রচলিত ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা আর থাকবে না বলেই মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।
লেখক-গবেষকঃ
আওরঙ্গজেব কামাল
সভাপতি
ঢাকা প্রেস ক্লাব

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.