বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের পর সহিংসতায় দেড় হাজারের বেশি প্রাণহানি, ধর্ষণ-নির্যাতন ও মব সহিংসতা উদ্বেগজনক  জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে; ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার জিয়ানগরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত জিয়ানগর হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সিরিজ সমতা আনল বাংলাদেশ বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট: লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না জ্বালানি,ভোগান্তিতে জনজীবন ডুমুরিয়ায় পাষান্ড স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম ইরানের সঙ্গে বসতে মার্কিন প্রতিনিধিদল পৌঁছাল ইসলামাবাদে
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
পটুয়াখালীর দুমকীল, পায়রা-পান্ডব-লোহালিয়ায় অবোরোধে ও মা-ইলিশশিকারের মহোৎসব।
/ ১০৬ টাইম ভিউ
আপডেট : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ন

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, চলছে মা-ইলিশ শিকারের মহোৎসব। প্রজনন মৌসুমে অভিযান থাকলেও পায়রা, পাতাবুনিয়া, লোহালিয়া, পানডপ, নদীতে দিন-রাত সমান তালে চলছে অবাধে ডিম ওয়ালা মা ইলিশ শিকার।জনবল ও যানবাহন সংকটে প্রশাসনের অভিযানে গতি কম থাকায় সুযোগ নিচ্ছেন নতুন পুরাতন জেলেরা। উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়হীনতায় অনেক জেলে পরিবারে শিশু-কিশোরদের দিয়েই নদীতে নামছে ইলিশ শিকারে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, উপজেলার পাংগাশিয়া, আঙ্গারিয়া, লেবুখালী অভিযান দেখা মাত্রই মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দ্রুত নদীর অপর তীরের বাউফল, মির্জাগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জের ঝোপ-ঝাড় ও খালে লুকিয়ে পড়ে জেলেরা। অভিযান শেষে ফের জাল ফেলে রাতভর চলে ইলিশ আহরণ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এসব ধরা ইলিশ প্রকাশ্যে বিক্রি না করে গোপনে পাইকারদের কাছে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার হাজিরহাট, লেবুখালী ফেরিঘাট, আঙ্গারিয়া বন্দর ও পাতাবুনিয়া বাজারসহ অন্তত: ১১টি ঘাটে ককশেডে ইলিশ মজুত রাখছে পাইকাররা।আঙ্গারিয়া ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব বলেন, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও সমন্বয়হীনতার কারণে মা-ইলিশ শিকার বন্ধ করা যাচ্ছে না। মৌসুমি জেলেরা নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা করছে না বলেও জানান তিনি।উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৪ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযানে ৪টি নৌকা ও ১ লাখ ৯০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। আটক ৫ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড এবং এক কিশোরকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার দায়িত্বরত মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, জনবল ও দ্রুতযান সংকট সত্ত্বেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, নদীতে অভিযান চালানো হলেও জেলেরা কৌশলে পালিয়ে যায়। তারপরও পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। স্থানীয়দের সহযোগিতা পেলে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.