তালা ( সাতক্ষীরা ) প্রতিনিধি : সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে তালা প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন আনুষ্টিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২ সেপ্টেম্বর সকালে তালা প্রেসক্লাব হললরুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের মৃত ইনতাজ আলী বিশ্বাসের পুত্র মোঃ আজিজুল ইসলাম বিশ্বাস।
লিখিত বক্তব্যে আজিজুল ইসলাম বলেন, আমি একজন মৎস্য ঘের ব্যাবসায়ী। গত সোমবার ১ সেপ্টেম্বর তালা উপজেলা প্র্যসক্লাবে উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিন মল্লিক এর ছেলে সেলিম হায়দার (মনু) যে সংবাদ সম্মেলন করেছে তা আমার দৃষ্টি গোচর হয়। সে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এই সংবাদ সম্মেলন করেছে যেটি আদেও সত্য নয় এটা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তি হীন। আমি নিউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রকৃত ঘটনা হল তালা উপজেলার ১৪৫ নং মৌজার বেলতলা চিলাখালি বিলে মৎস্য ঘেরে জমির পরিমাণ ৩৬৬ বিঘা। উক্ত জমিতে ৩ জন ঘের মালিক। এরমধ্যে আজিজুল বিশ্বাস ১৫২ বিঘা, ছাত্তার সরদার ৬৪.৫০ বিঘা ও রফিকুল সরদার ১৫২.৫০ বিঘা জমি নিয়ে এওয়াজ বন্টন মোতাবেক পৃথক পৃথক ভাবে বেঁড়িবাধ নির্মাণ করে মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছে।
তিনি আরো বলেন, আমার ঘের ভুক্ত ৭৯ জন জমির মালিকদের নিকট হইতে গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে চুক্তিপত্র রেজিষ্ট্রী করে নেই। তবে ঘের করি ১৪৮.৫০ বিঘা। স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মাপজরিপ করে দেখাযায় আমার পাশ্ববর্তী ঘের মালিক রফিকুল সরদারের ঘেরের মধ্যে ৩ বিঘা ৫ কাঠা জমি পাইবো। রফিকুল ইসলাম উক্ত জমির কোন হারি দেয় না। তবে আমি আমার ঘেরভুক্ত জমির মালিকদের।আরি টাকা আমি পরিশোধ করে আসছি। আমার বিরুদ্ধে কোন জমির মালিকের অভিযোগ নেই। অথচ রফিকুল ইসলামের ঘেরভুক্ত উক্ত জমির হারির টাকা বাব বার চাইলেও সে গত তিন বছরে কোন হারির টাকা দেই নাই। অথচ ১ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে অন্য ঘের মালিকদের সাথে আমার নাম জড়িয়ে যে সকল তথ্য দিয়েছে সেটি সম্পুর্ণ মিথ্যা। সেলিম হায়দার মনু, ইমান সরদার, নজরুল সরদার গং আমার নিকট কোন হারির টাকা পাইবে না। এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তির উপস্থিতিতে মাপজরিপ করে উল্লেখিত ব্যক্তিদের জমি এজমালিতে এওয়াজ বন্টনকৃত জমি রফিকুল ও ছাত্তার হাজীর ঘেরে ঐ জমি আছে বলে প্রতিয়মান হয়। তবে উল্লেখিত ব্যক্তিদের ৫০ শতক জমি ছাত্তার হাজীর ঘেরের মধ্যে পাবে। ঐ জমির হারির টাকা ছাত্তার হাজী রফিকুলের কছে দিছে তার প্রমাণ আছে। ছাত্তার হাজীর কাছে সংবাদ সম্মেলন কারিরা কোন টাকা পাবে না।
তিনি আরো বলেন, সংবাদ সম্মেলন কারিদের জমির পরিমান ৪২ বিঘা। স্থানীয় মাপজরিপে এওয়াজ বন্টনের সম্পত্তি সীমানা পিলার বসানো আছে। তারপর মাটিকাটা মেশিন দ্বারা বেড়িবাধ নির্মান করতে গেলে রফিক সরদারের জমিতে ধান থাকায় পুলিশ দ্বারা বাধা দেন। ঐ জমি নিয়ে দুই তিন বছর সার্কেল এসপি থানা পুলিশ চেয়ারম্যান সহ স্থানীয়দের উপস্থিতিতে অসংখ্য বার শালিশী বৈঠক হয় কিন্তু কোন সমাধান হয়নি। সর্বশেষ এই জমি নিয়ে দেওয়ানী আদালতে মামলা চলমান আছে। এসময় সংবাদ সম্মেলনকারীদের বিভিন্ন তালবাহানা ও ষড়যন্ত্র কারিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

