শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই শাহজালালের থার্ড টার্মিনালের চুক্তি করতে চায় সরকার : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আপদকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছি : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশের কোনগুলো বাদ, আর কোনগুলো থাকছে ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনায় পোপ লিও, ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ কৃষক কার্ড-ফ্যামিলি কার্ডের কারণে মূল্যস্ফীতি হবে না : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ৬টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের অনুমোদন ইরানের সব ধরনের সংস্কার সংবিধানের কাঠামোর ভেতরেই পরিচালিত হবে: আইনমন্ত্রী স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু
/ ০ টাইম ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট : মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাশ্রয় প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাইকে এতে অংশ নিতে হবে এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। এক্ষেত্রে দেশের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখনও তেলের কোনো সংকট তৈরি হয়নি। তবে উচ্চ মূল্যে তেল ও গ্যাস কতদিন এভাবে চালানো সম্ভব হবে, তা চিন্তার বিষয়। তাই শিগগিরই তেলের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কেইপিজেড ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন মিলনায়তনে চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ)-র শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান।অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক তেলের সংকট শুধু বাংলাদেশ নয়, আমেরিকাসহ সারা বিশ্বকে প্রভাবিত করছে। দেশের অধিকাংশ তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে এবং সংকট মোকাবিলায় সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ চালু রেখেছে। সর্বোপরি জ্বালানি নিরাপত্তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনও কম্প্রোমাইজের সুযোগ নেই।তিনি নতুন সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘সবকিছুর সাপ্লাই চেইন অব্যাহত রয়েছে। এটি একটি চ্যালেঞ্জ, যার মোকাবিলায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।পুঁজিবাজার সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করা হবে। ব্যাংক ঋণ নির্ভর বিনিয়োগের তুলনায় পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হবে।জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সরকার আপস করছে না জানিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকারকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সরকারি তহবিল যদি এভাবে উচ্চমূল্যে ক্রয়ের কারণে ক্ষয় হতে থাকে, তাহলে উন্নয়ন কার্যক্রম ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। তাই দেশের স্বার্থে একটি পর্যায়ে গিয়ে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।রপ্তানি আয়ের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে গার্মেন্টস, কৃষিপণ্য ও টেক্সটাইল খাতে আয় কমেছে। তবে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং গার্মেন্টস খাতের পুনরুদ্ধারের বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে সার ও খাদ্যপণ্যের দামও বাড়বে, ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়বে। তবে অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখনো জ্বালানির দাম বাড়ায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।এরআগে সিআইইউ-এর ‘একাডেমিক এক্সিলেন্স স্কলারশিপ স্প্রিং ২৬’ অনুষ্ঠানে শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নিবিড় সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে এ ধরনের অংশীদারিত্ব অত্যন্ত প্রয়োজন। বিশ্বজুড়ে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিল্পের সাথে কাজ করে তাদের শিক্ষার মান ও গবেষণাকে উন্নত করে, যা সিআইইউ-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত।তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অনেক বেশি। বর্তমান বিশ্বের প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে এবং ভবিষ্যতের বৈশ্বিক সুযোগগুলো কাজে লাগাতে তিনি প্রযুক্তিগত শিক্ষা এবং কারিকুলামের আধুনিকায়নের ওপর জোর দেন। কোরিয়ার প্রযুক্তিগত উন্নয়নের উদাহরণ টেনে তিনি সিআইইউ-কে প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার মান বাড়ানোর পরামর্শ দেন।যারা স্কলারশিপ পেয়েছেন, তাদের অভিনন্দন জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, তাদের আসল চ্যালেঞ্জ এখন শুরু হলো। এই স্কলারশিপের সুবিধা ধরে রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের পরবর্তী চার বছর নিয়মিতভাবে তাদের শৈক্ষিক মান বজায় রাখতে হবে। ভবিষ্যতে সাফল্যের জন্য এই মান ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।সিআইইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসারের সভাপতিত্বে ও সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির হিসেবে বক্তব্য দেন ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন ও কোরিয়ান ইপিজেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কিহাক সাং, সিআইইউ’র বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লুৎফি এম আইয়ুব, সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন কোরিয়ান ইপিজেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ শাহজাহান।অনুষ্ঠানে ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন ও কোরিয়ান ইপিজেডের কর্মকর্তাবৃন্দ, সিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.