সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষকসুলভ আচারণ সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ;রামপালে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভায় প্রতিমন্ত্রী ডক্টর ফরিদ সংসদ অধিবেশনের ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে শহীদ পরিবার ও আহতদের সাথে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী সংবিধান পুনর্লিখন নয়, সংশোধনেই সংস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বেটার’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কদমতলীতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই শাহজালালের থার্ড টার্মিনালের চুক্তি করতে চায় সরকার : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আপদকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছি : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু
শিরোনাম
যমুনা টিভির সৌজন্যে লাইভ চলছে...
সংসদ অধিবেশনের ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে শহীদ পরিবার ও আহতদের সাথে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী
/ ১ টাইম ভিউ
আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ অধিবেশনের ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে শহীদ পরিবার ও আহতদের সাথে দেখা করেছেন । ব্যস্ততার চাপে যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্ত হিসাব কষে ব্যয় করতে হয়, সেখানে হঠাৎ করেই এক মানবিক দৃশ্যের অবতারণা হলো জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে। অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের বিরতির ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে গিয়ে জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্য এবং আহতদের কাছে কাছে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনের গ্যালারির ‘মেঘনা হলে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের সাথে দেখা করেন। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা আর দূরত্বের দেয়াল ভেঙে তৈরি হয় এক আন্তরিকতার পরিবেশ। প্রধানমন্ত্রী একে একে কথা বলেনু সবার সঙ্গে। ক্ষমতার আসন ছেড়ে মানুষের কাছে যাওয়ার এক অনন্য উদাহরণ। কোনো প্রটোকলের দূরত্ব নয়, বরং একেবারে কাছাকাছি গিয়ে কথা বলেন তিনি। অনেকের চোখে এখনো না শুকানো বেদনার ছাপ, কারো মুখে ক্লান্তির ছায়া। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একে একে সবার খোঁজ-খবর নেন। কারো সন্তানের কথা শুনে থমকে যান, কারো চিকিৎসার অগ্রগতি জানতে চান, আবার কারো কাঁধে হাত রেখে সান্ত্বনা দেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কথায় ছিল সহমর্মিতা, চোখে ছিল গভীর মনোযোগ, যেন রাষ্ট্রপ্রধান নন, একজন পরিবারের সদস্য হয়ে শুনছেন তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা।জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষের আনুষ্ঠানিকতা আর রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে এই সংক্ষিপ্ত মুহূর্ত যেনু অন্য এক বার্তা বহন করলো, রাষ্ট্র শুধু নীতিনির্ধারণে সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই তার প্রকৃত শক্তি। বিরতির এই অল্প সময়টুকুতে প্রধানমন্ত্রী যেন বুঝিয়ে দিলেন, দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক নয়, মানবিকও।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৬০ জন জুলাই গণ-আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত পরিবারের সদস্য এ সময় সংসদের দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ২৬ জন শহীদ পরিবারের সদস্য, বাকী সবাই জুলাই গণ-আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়ে আহত হয়েছিলেন। অনেকেই এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।প্রধানমন্ত্রীও আন্তরিকতার সাথে একে একে তাদের সবার কথা শোনেন। কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে কয়েকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় মাথায় হাত বুলিয়ে তাঁদের সান্ত্বনা দেন।উল্লেখ্য, আবেগঘন পরিবেশের মাঝে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার সবসময় জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
আমাদের পেজ লাইক করুন

Recent Comments

No comments to show.